অ্যালার্জি বা চুলকানি সাধারন ব্যাপার। যাদের সংবেদনশীল ত্বক তারা চুলকাতে চুলকাতে ত্বক লাল করে ফেলেন আবার অনেকেই এলার্জি দূর করার জন্য মলম ব্যবহার করে থাকেন মলম যেহেতু রাসায়নিক মিশ্রণ দিয়ে তৈরি করা হয় এতে করে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে আর যদি ভেষজ ঘরোয়া উপায়ে এলার্জি দূর করা যায় তাহলে সেটি নিরাপদ ও অধিক কার্যকরী কারো ক্ষেত্রে এলার্জি সামান্যতম অসুবিধা করে, আবার কারো ক্ষেত্রে জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।
ঘরের ধুলাবালি পরিষ্কার করছেন? হঠাৎ করে হাঁচি এবং পরে শ্বাসকষ্ট অথবা ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন বা গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ ও গরুর দুধ খেলেই শুরু হলো গা চুলকানি বা চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে ওঠা। এগুলো হলে আপনার এলার্জি আছে ধরে নিতে হবে।
মানব জীবনে এলার্জি কতটা ভয়ংকর সেটা ভুক্তভোগী যে সেই জানে। উপশমের জন্য কতজন কত কি না করেন। এবার প্রায় বিনা পয়সায় এলার্জিকে গুডবাই জানান আজীবনের জন্য। যা করতে হবে আপনাকে –
১) ১ কেজি নিম পাতা ভালো করে কড়া রোদে শুকিয়ে নিন।
২) শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুড়ো করুন এবং সেই গুড়ো ভালো একটি কৌটায় সংরক্ষণ করে রাখুন রাখুন।
৩) ১ চা চামচের তিন ভাগের এক ভাগ নিম পাতার গুড়া ও এক চা চামচ ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘন্টা ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।
৪) আধা ঘন্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।
৫) প্রতি দিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাত্রে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন একটানা খেতে হবে
৬) কার্যকারীতা শুরু হতে ১ মাস লেগে যেতে পারে। ইনশাআল্লাহ ভালো হয়ে যাবে এবং এরপর থেকে এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না যেমন- হাঁসের ডিম, বেগুন, গরু, চিংড়ি সহ অন্যান্য খাবার খেতে পারবেন।
অ্যালোভেরা:
ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরার উপকারিতা বর্ণনা করে শেষ করা যায় না। এলার্জি প্রতিরোধে অ্যালোভেরা একটি কার্যকর উপায় ।একটি তাজা অ্যালোভেরার পাতা থেকে রস বের করে এলো যে স্থানে লাগান এনার্জি সেরে যাবে।
লেবু:
এলার্জি প্রতিরোধে লেবু একটি কার্যকরী উপায় লেবুতে ভিটামিন সি আর ব্লিচিং উপাদান যা ত্বকের চুলকানির করে থাকে। শরীরের যে জায়গায় চুলকানি সেখানে লেবুর রস লাগিয়ে নিন পরে শুকিয়ে ফেলুন কিছুক্ষণ পরে চুলকানি সেরে যাবে।
নারিকেল তেল:
নারিকেল তেল ত্বকের জন্য নিরাপদ যদি সম্পূর্ণ শরীরের চুলকানি হয় তাহলে সারা শরীরে নারকেলের তেল মাখতে পারেন। কুসুম গরম পানিতে নারকেল তেল মিশিয়ে গোসল করতে পারেন।
অ্যালার্জি বা চুলকানি সাধারন ব্যাপার। যাদের সংবেদনশীল ত্বক তারা চুলকাতে চুলকাতে ত্বক লাল করে ফেলেন আবার অনেকেই এলার্জি দূর করার জন্য মলম ব্যবহার করে থাকেন মলম যেহেতু রাসায়নিক মিশ্রণ দিয়ে তৈরি করা হয় এতে করে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে আর যদি ভেষজ ঘরোয়া উপায়ে এলার্জি দূর করা যায় তাহলে সেটি নিরাপদ ও অধিক কার্যকরী কারো ক্ষেত্রে এলার্জি সামান্যতম অসুবিধা করে, আবার কারো ক্ষেত্রে জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।
ঘরের ধুলাবালি পরিষ্কার করছেন? হঠাৎ করে হাঁচি এবং পরে শ্বাসকষ্ট অথবা ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন বা গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ ও গরুর দুধ খেলেই শুরু হলো গা চুলকানি বা চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে ওঠা। এগুলো হলে আপনার এলার্জি আছে ধরে নিতে হবে।
মানব জীবনে এলার্জি কতটা ভয়ংকর সেটা ভুক্তভোগী যে সেই জানে। উপশমের জন্য কতজন কত কি না করেন। এবার প্রায় বিনা পয়সায় এলার্জিকে গুডবাই জানান আজীবনের জন্য। যা করতে হবে আপনাকে –
১) ১ কেজি নিম পাতা ভালো করে কড়া রোদে শুকিয়ে নিন।
২) শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুড়ো করুন এবং সেই গুড়ো ভালো একটি কৌটায় সংরক্ষণ করে রাখুন রাখুন।
৩) ১ চা চামচের তিন ভাগের এক ভাগ নিম পাতার গুড়া ও এক চা চামচ ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘন্টা ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।
৪) আধা ঘন্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।
৫) প্রতি দিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাত্রে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন একটানা খেতে হবে
৬) কার্যকারীতা শুরু হতে ১ মাস লেগে যেতে পারে। ইনশাআল্লাহ ভালো হয়ে যাবে এবং এরপর থেকে এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না যেমন- হাঁসের ডিম, বেগুন, গরু, চিংড়ি সহ অন্যান্য খাবার খেতে পারবেন।
অ্যালোভেরা:
ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরার উপকারিতা বর্ণনা করে শেষ করা যায় না। এলার্জি প্রতিরোধে অ্যালোভেরা একটি কার্যকর উপায় ।একটি তাজা অ্যালোভেরার পাতা থেকে রস বের করে এলো যে স্থানে লাগান এনার্জি সেরে যাবে।
লেবু:
এলার্জি প্রতিরোধে লেবু একটি কার্যকরী উপায় লেবুতে ভিটামিন সি আর ব্লিচিং উপাদান যা ত্বকের চুলকানির করে থাকে। শরীরের যে জায়গায় চুলকানি সেখানে লেবুর রস লাগিয়ে নিন পরে শুকিয়ে ফেলুন কিছুক্ষণ পরে চুলকানি সেরে যাবে।
নারিকেল তেল:
নারিকেল তেল ত্বকের জন্য নিরাপদ যদি সম্পূর্ণ শরীরের চুলকানি হয় তাহলে সারা শরীরে নারকেলের তেল মাখতে পারেন। কুসুম গরম পানিতে নারকেল তেল মিশিয়ে গোসল করতে পারেন।
1 মন্তব্যসমূহ
Very good
উত্তরমুছুন